টাইটানিক রহস্যে নতুন বিতর্ক!

আজকের বিষয় আলোচিত জাহাজ টাইটানিক নিয়ে।

টাইটানিক এর নাম শুনেননি অথবা টাইটানিক ট্র‍্যাজেডির কথা জানেনা এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবেনা।১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় এই জাহাজটি।জাহাজটির ক‍্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন ভদ্রলোক এডওয়ার্ড স্মিথ।ইতিহাসে টাইটানিক নিয়ে যতগুলো লেখা পাওয়া যায় তারমধ‍্যে একটি হলো সেদিন রাতে ক‍্যাপ্টেন নাকি যাত্রীদের যন্ত্রণা সইতে না পেরে ঝাপ দেন আটলান্টিক এর বুকে।বেচে যাওয়া যাত্রী এমিলি রিচার্ডসের লিখা একটি চিঠি থেকে পাওয়া গেছে নতুন তথ্য।এই নতুন তথ্য পাওয়ার পরই আগের ইতিহাস নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।কি ছিল সেই চিঠিতে।চলুন সেদিকে নজর দেই।

সত্যিই কি রয়েছে রহস্যময় ক‍্যাডিজোরা?



চিঠিতে টাইটানিক এর ক‍্যাপ্টেন এডওয়ার্ড স্মিথকেই দায়ী করেছেন এমিলি।চিঠিতে তিনি লিখেছেন বরফখন্ডে ধাক্কা খাওয়ার কিছু সময় আগে ক‍্যাপ্টেনকে দেখা গিয়েছিল বারে বসে মদ খেতে।তিনি সে সময় নেশাগ্রস্থ ছিলেন।জাহাজ যখন ডুবে যাচ্ছিলো তখন মা বোনসহ বেচে যান এমিলি কিন্তু আটলান্টিকের বরফ ঠান্ডা পানিতে এক হাজার পাঁচশ একুশ যাত্রীর সাথে মারা যান তার ভাই জর্জ।টাইটানিক ডুবে যাওয়ার প্রায় দুইদিন পরে উদ্ধারকারী জাহাজ কার্পেথিয়ায় বসে শাশুড়িকে চিঠিটি লিখেন এমিলি।তিনি লিখেন রোববার রাত ১১টার সময় বিশাল বরফ খন্ডের সাথে ধাক্কা লাগে জাহাজটির।অন‍্য একজনকে দায়িত্বে বসিয়ে ক‍্যাপ্টেন গিয়েছিলেন বারে মদে খেতে।দোষ ক‍্যাপ্টেনের।
কিন্তু এতদিনের জানা ইতিহাস ছিল দুর্ঘটনা ঘটার আগ মুহূর্তে অর্থাৎ সন্ধ‍্যায় ডিনার পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন ক‍্যাপ্টেন।রাতে ফিরে যান নিজের কেবিনে।ঘুমিয়ে ও পড়েন সেখানে।পরে যখন বরফখন্ডে ধাক্কা লাগে তখনই সাথে সাথে জেগে উঠেন ক‍্যাপ্টেন।শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের আর্তচিৎকার সহ্য করতে না পেরে আটলান্টিকের বরফ শীতল জলে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।



এই চিঠির সাথে মিলেছে আরেকটি চিঠি।এটিও অবশ্য এমিলি লিখেছিলেন নিউইয়র্ক পৌঁছে।ইংল্যান্ডের “হেনরি অলরিজ অ্যান্ড সন” টাইটানিকের বিভিন্ন জিনিসপত্র নিলামে বিক্রি করছে দীর্ঘদিন ধরে।এই দুটি চিঠিও তারা বিক্রি করবে নিলামে।তাদের ধারণা ভাইকে হারিয়ে এমিলি অসম্ভব রকম মন খারাপে ভুগছিলেন।তাই হয়তো ক্ষুব্ধ হয়ে ক‍্যাপ্টেনকে দোষারপ করছেন।তাছাড়া এখন পর্যন্ত আর কোথাও প্রমাণ পাওয়া যায়নি ক‍্যাপ্টেন ওইদিন মদ খাচ্ছিলেন এমন কিছু।তাই বিষয়টা বিতর্কিতও বটে।

Comments

comments

Inline
Inline